রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৫২
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

ঝালকাঠিতে সিরিজ বোমা হামলা,২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝালকাঠি প্রতিনিধি  ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা ঘটনায় ঝালকাঠির দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক এসকে.এম. তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ঝালকাঠি শহরের বিকনা এলাকার ইউনুচ মল্লিকের ছেলে জিয়াউর রহমান ও রাজাপুর উপজেলার কেওতা গ্রামের মৃত মোশারফ হাওলাদারের ছেলে ফরিদ হাওলাদার।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান মনু জনান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বেলা ১১টা ৩০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের অন্যান্য স্থানের মত ঝালকাঠি শহরের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানায় বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলার আসামি আবু সোলায়মান সুজনের জবানবন্দিতে জিয়াউর রহমানের নাম প্রকাশ পায়।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গী সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩ জেলায় একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। এতে দু’জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হন।

ঘটনার পরপরই সারা দেশে ১৫৯টি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি।

এর মধ্যে মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়।

এসব মামলায় ১৩০ জন এজাহারনামীয় আসামি ছিল। গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯৬১ জনকে। অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে। এসব মামলায় ৩২২টি জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এর মধ্যে ফাঁসির দণ্ড হয়েছে ১৫ জনের। খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি।